Featured

    Featured Posts

গর্ভবতী মা কখন ও কতবার যাবেন চিকিত্‍সকের কাছে ?

গর্ভাবস্থায় একজন নারী মা হবার আনন্দে যেমন বিভোর থাকেন, ঠিক তেমনি আবার নানান বিপদের কথা ভেবে থাকেন শঙ্কিত। গর্ভধারণ মানেই কমবেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা। তাই নিরাপদে মা হবার জন্য গর্ভে সন্তানের আগমন নিশ্চিত হওয়া মাত্র গর্ভকালীন পরিচর্যা শুরু করতে হবে। গর্ভকালীন পুরো সময় থেকে প্রসবের পর কিছুদিন পর্যন্ত নিয়মিত চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিতে হবে।

কখন ও কতবারঃ
১) প্রথমবার ডাক্তার দেখাতে হবে গর্ভে সন্তানের আগমন নিশ্চিত হবার পর বা মাসিক বন্ধ হবার ২ মাসের মধ্যে। এরপর থেকে ৭ মাস (২৮ সপ্তাহ) পর্যন্ত প্রতিমাসে ১ বার।

২) ৭-৯ মাস (৩৬ সপ্তাহ) পর্যন্ত প্রতিমাসে ২ বার।

৩) ৯ মাস থেকে বাচ্চা প্রসব না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্তত একবার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

৪) যদি নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সুবিধা না থাকে তাহলে ন্যূনতম ৪ বার ডাক্তার দেখাতে হবে। প্রথম ৩ মাসে প্রথমবার, পরের ৩ মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার এবং শেষ ৩ মাসে তৃতীয় ও চতুর্থবার ডাক্তার দেখাতে হবে।

গর্ভকালীন পরিচর্যার মাধ্যমে গর্ভধারণ, প্রসব ও পরবর্তী অনেক বিপদ এড়ানো সম্ভব এবং মায়ের সুস্থতা, নিরাপদ প্রসব ও স্বাস্থ্যবান সন্তান লাভ নিশ্চিত করা যেতে পারে। বিস্তারিত আলাপ ও শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিত্‍সক গর্ভাবস্থার ঝুঁকি নির্ধারণ করেন। গর্ভবতী মায়ের উচ্চতা, ওজন, রক্তশূন্যতা ও রক্তচাপ রেকর্ড করা হয় এবং কিছু প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। যেমন রক্তে হিমোগ্লোবিন, গ্রুপিং ও Rh টাইপিং, রক্তের সুগার, VDRL এবং ইউরিন R/E টাইপিং ও মাইক্রোস্কোপিক টেস্ট। গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি সময় থেকে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারের কাছে ভিজিটগুলোতে নতুন কোনো উপসর্গ, জরায়ুর উচ্চতা মেপে শিশুর বৃদ্ধি অনুমান করা, শিশুর অবস্থান ও হৃদস্পন্দন পরিমাপ করা এবং বেশ কয়েকবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়ে থাকে।

গর্ভাবস্থায় টিকাঃ
গর্ভাবস্থায় কেবলমাত্র একটি টিকা নিতে পারেন আর তা হলো টিটি বা টিটেনাস ট্রাইফয়েড। যদি টিটি টিকার পাঁচটি ডোজ না নেয়া থাকে, তাহলে গর্ভধারণে প্রথম ও ষষ্ঠ মাসে টিটি টিকার দুটি টিকা নিতে হবে। আর যদি আগেই দুই ডোজ নেয়া থাকে তাহলে পরবর্তীতে গর্ভাবস্থায় মাত্র একটি বুস্টার ডোজ নিতে হবে।

স্তন ঢিলে হয়ে যাওয়া এবং ঝুলে যাওয়া কিভাবে কমাবেন ?

স্তন ঢিলে হয়ে যাওয়া এবং ঝুলে যাওয়া কিভাবে কমাবেন ?

স্তন ঝুলে যাওয়া নানা কারনে হতে পারে, যেমনঃ
অতিরিক্ত ওজন, বয়স এবং সন্তান গর্ভধারন।
স্তনের শিথিল হওয়া থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া যায়।

ধাপ ০১:

এমন ব্রা পরুন যা আ পনার স্তনকে সম্পুর্ন সাপোর্ট দেয় লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার ব্রা অবশ্যই আপনার সাথে সাবলীল ভাবে চলতে পারে – অর্থাৎ চলার সময় আপনার ব্রা লেইস যেন কাঁধ থেকে খসে না পড়ে অথবা বন্ধনি অতিরিক্ত টাইট কিংবা অতিরিক্ত লুজ না হয়। যখন ব্রা সাইজ নেবার জন্য মাপতে যাবেন – অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আপনার পুরাতন ব্রা পরনে থাকতে হবে এবং সে অবস্থায় স্তনের ঠিক নিচে মাপ নিচ্ছেন।

ধাপ ০২:

ব্রেষ্ট লিপ্ট সার্জারী তথা স্তন উন্নতকরন অস্ত্রোপ্রচারের মাধমে ঝুলে যাওয়া স্তনকে উন্নত করা যায়। ব্রেষ্ট লিপ্ট সার্জারীর জন্য লোকাল এনেস্থেসিয়া করে অস্ত্রপ্রচার করা হয়ে থাকে সাধারনত। এ পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ত্বক ফেলে দেয়া হয় এবং অনেকের ক্ষেত্রে নিফল/ স্তন বোঁটা এবং areola এর স্থান পরিবর্তন করা হয়। আপনি যদি সন্তানকে স্তনদান করছেন অথবা গর্ভধারন করেছেন, সেই অবস্থায় অস্ত্রপ্রচার করা উচিৎ হবে না।

ধাপ ০৩:

নিয়মিত সঠিক ব্যয়াম করলে আপনার পিকটোরিয়াল পেশী সুগঠিত থাকবে, যা আপনার স্তন সুঢৌল থাকার ঐচ্ছ্যিক সমর্থন জোগাবে। ফলমুল এবং তাজা সব্জির সমন্বয়ে স্বাস্থ্য সম্মত খাবার, কম চর্বিযুক্ত খাবার এবং আঁইশ যুক্ত খাবার আপনার স্বাস্থ্য ঠিক রাখবে যা স্তনের সুন্দর গঠনে ভুমিকা রাখবে। পক্ষান্তরে শরীরের ওজন বৃদ্ধিতে চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা ( টান টান ভাব) কমে যায় – যা স্তনের ঢিলে ভাব প্রকট করে।

ধাপ ০৪:

আপনি যদি ধুমপায়ী (প্রত্যক্ষ/ পরোক্ষ) হন তাহলে তা আজই বর্জন করুন। কারন তামাকের নিকোটিন সরাসরি বার্ধক্যকে প্রভাবিত করে এবং চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে যা শরীরের অন্য অংশের মত স্তনের চামড়াকেও ঢিলে করে দেয় – ফলশ্রুতি, স্তনের ঝুলে পড়বে।

দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

প্রি-ম্যাচিউর ইজেকুলেশন হল দ্রুত বীর্যপাত। যদি নিয়মিত সঙ্গি এবং সঙ্গিনীর ইচ্ছার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে অর্থাৎ যৌনসঙ্গম শুরু করার আগেই কিংবা যৌনসঙ্গম শুরুর একটু পরেই বীর্যপাত ঘটে যায়- তাহলে যে সমস্যাটি বুঝা যাবে তার নাম প্রি-ম্যাচিউর ইজেকুলেশন। প্রি-ম্যাচিউর ইজেকুলেশন একটি সাধারণ যৌনগত সমস্যা। প্রতি ৩ জন পুরুষের মধ্যে ১ জন এ সমস্যায় ভোগে থাকেন।

একসময়ে ধারণা করা হতো, প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হলো সম্পূর্ণ মানসিক; বর্তমানে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রি-মেচিউর ইজেকুলেশন বা দ্রুত বীর্যপাতের ক্ষেত্রে শারীরিক বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে দ্রুত বীর্যপাতের সাথে পুরুষত্বহীনতার সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে অনেক চিকিৎসা বেরিয়েছে- যেমন বিভিন্ন ওষুধ, মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বিভিন্ন যৌনপদ্ধতির শিক্ষা। এগুলো বীর্যপাতকে বিলম্ব করে আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর যৌনজীবনকে মধুর করে তুলবে। অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে সমন্বিত চিকিৎসা খুব ভালো কাজ করে।

উপসর্গঃ
পুরুষের বীর্যপাত হতে কতটা সময় নেবে সে ব্যাপারে চিকিৎসাবিজ্ঞানে আদর্শ মাপকাঠি নেই। দ্রুত বীর্যপাতের প্রাথমিক লক্ষণ হলো নারী-পুরুষ উভয়ের পুলক লাভের আগেই পুরুষটির বীর্যপাত ঘটে যাওয়া। এ সমস্যা সব ধরনের যৌনতার ক্ষেত্রে ঘটতে পারে। এমনকি হস্তমৈথুনের সময়ও কিংবা শুধু যৌনমিলনের সময়ও।

প্রি-ম্যাচিউর ইজেকুলেশনকে সাধারণত ২ ভাগে ভাগ করা হয়-
এক. প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজেকুলেশন : এটি হলো আপনি যৌন সক্রিয় হওয়া মাত্রই বীর্যপাত ঘটে যাওয়া।
দুই. সেকেন্ডারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন : এ ক্ষেত্রে আগের বা প্রথম দিকের যৌনজীবন তৃপ্তিদায়কই ছিল, বর্তমানে দ্রুত বীর্যপাত ঘটছে।

কারণঃ
কী কারণে দ্রুত বীর্যপাত হচ্ছে তা নিরূপণ করতে বিশেষজ্ঞরা এখন পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একসময় ধারণা করা হতো, এটা সম্পূর্ণ মানসিক ব্যাপার। কিন্তু বর্তমানে জানা যায়, দ্রুত বীর্যপাত হওয়া একটি জটিল বিষয় এবং যার সাথে মানসিক ও জৈবিক দু’টিরই সম্পর্ক রয়েছে।
মানসিক কারণঃ
কিছু চিকিৎসক বিশ্বাস করেন, প্রথম বয়সে যৌন অভিজ্ঞতা ঘটলে তা এমন একটি অবস্থায় পৌছে যে, পরবর্তী যৌন জীবনে সেটা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে। যেমন-
* লোকজনের দৃষ্টিকে এড়ানোর জন্য তড়িঘড়ি বা তাড়াতাড়ি করে চরম পুলকে পৌঁছানোর তাগিদ।
* অপরাধ বোধ, যার কারণে যৌনক্রিয়ার সময় হঠাৎ করেই বীর্যপাত ঘটে যায়। অন্য কিছু বিষয়ও আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
পুরুষাঙ্গের শিথিলতাঃ যেসব পুরুষ যৌনমিলনের সময় তাদের লিঙ্গের উত্থান ঠিকমতো হবে কি না কিংবা কতক্ষণ লিঙ্গ উত্থিত অবস্থায় থাকবে এসব বিষয় নিয়ে চিন্তিত পুরুষের দ্রুত বীর্যস্খলন ঘটে।
দুশ্চিন্তাঃ অনেক পুরুষের দ্রুত বীর্যপাতের একটি প্রধান কারণ দুশ্চিন্তা। সেটা যৌনকাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করতে পারবেন কি না সে বিষয়ে হতে পারে। আবার অন্য কারণেও হতে পারে।
দ্রুত বীর্যপাতের আরেকটি প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত উত্তেজনা।
জৈবিক কারণঃ
বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, কিছুসংখ্যক জৈবিক বা শারীরিক কারণে দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে-
* হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রা
* মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান ( Chemicals of brain ) বা নিউরোট্রান্সমিটারের অস্বাভাবিক মাত্রা
* বীর্যস্খলনে অস্বাভাবিক ক্রিয়া
* থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
* প্রোস্টেট (Prostate) অথবা মূত্রনালীর প্রদাহ ও সংক্রমণ (UTI)
* বংশগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য

নিচের কারণগুলোর জন্যও দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে-
* সার্জারি বা আঘাতের কারণে স্নায়ুতন্ত্রের (Nervous system) ক্ষতি হওয়া।
* মাদক বা নারকোটিকস কিংবা দুশ্চিন্তার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ ট্রাইফ্লুপেরাজিন প্রত্যাহার করা এবং অন্য মানসিক সমস্যা থাকা।

বেশির ভাগ প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনের (Premature ejaculation) ক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক দু’টি বিষয়ই দায়ী। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে দায়ী হলো শারীরিক কারণ যদি সেটা জীবনভর সমস্যা হয়ে থাকে (প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন)।

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ঃ
দ্রুত বীর্যপাতে ঝুঁকি বাড়াতে পারে যেসব বিষয় –
পুরুষাঙ্গের শিথিলতাঃ লিঙ্গ ঠিকমতো উত্থিত না হয়, মাঝে মাঝে উত্থিত হয় অথবা উত্থিত হয় কিন্তু বেশিক্ষন এ অবস্থায় না থাকে তাহলে দ্রুত বীর্যপাত ঘটার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। যৌনসঙ্গমের সময় লিঙ্গের উত্থান অবস্থা বেশিক্ষণ থাকবে না, এমন ভয়ও দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে।

স্বাস্থ্যগত সমস্যাঃ যদি এমন স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে যার কারণে যৌনমিলনের সময় উদ্বেগ অনুভব করে যথা- হৃদরোগ থাকে। এতেও দ্রুত বীর্যপাতের ঘটনা ঘটতে পারে।

মানসিক চাপঃ আবেগজনিত কারণ কিংবা মানসিক চাপ দ্রুত বীর্যস্খলনের ব্যাপারে ভূমিকা রাখে।

ওষুধঃ ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও দ্রুত বীর্যস্খলন ঘটাতে পারে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়ঃ
চিকিৎসক বিস্তারিত যৌন ইতিহাস জেনে তার ওপর ভিত্তি করে দ্রুত বীর্যপাত রোগ নির্ণয় করেন। চিকিৎসক স্বাস্থ্যের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। তিনি সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা করতে পারেন।
পুরুষ হরমোনের (টেস্টোস্টেরন) মাত্রা দেখার জন্য রক্ত পরীক্ষাসহ আরো কিছু পরীক্ষা করতে দিতে পারেন।

জটিলতাঃ
যদিও দ্রুত বীর্যপাত আপনার মারাত্মক স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ায় না, কিন্তু এটা ব্যক্তিগত জীবনে ধস নামাতে পারে। যেমন-
সম্পর্কে টানাপড়েনঃ দ্রুত বীর্যপাতের সাধারণ জটিলতা হলো যৌনসঙ্গিনীর সাথে সম্পর্কের অবনতি।

বন্ধ্যত্ব সমস্যাঃ দ্রুত বীর্যপাত মাঝে মধ্যে বন্ধ্যাত্ব ঘটাতে পারে। যেসব দম্পতি সন্তান নেয়ার চেষ্টা করছেন সেটা অসম্ভব হতে পারে। যদি দ্রুত বীর্যপাতের ঠিকমতো চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে সঙ্গি ও সঙ্গিনীর দু’জনেরই বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

চিকিৎসাব্যবস্থাঃ
দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসাব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে- সেক্সুয়াল থেরাপি, ওষুধপত্র ও সাইকোথেরাপি। অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে সমন্বিত চিকিৎসা সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
সেক্সুয়াল থেরাপিঃ এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক বুঝিয়ে দেবেন যৌনমিলনের সময় কী করতে হবে। চিকিৎসক একটি নির্দিষ্ট সময় যৌনমিলন থেকে বিরত থাকার কথা বলতে পারেন। আরও কিছু পদ্ধতি শিখিয়ে দিতে পারে।

ওষুধঃ দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসায় কিছু নির্দিষ্ট অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ও টপিক্যাল অ্যানেসথেটিক ক্রিম ব্যবহার করা হয়। তবে এসব ওষুধ কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। ওষুধ প্রথমে অল্প মাত্রা দিয়ে শুরু করতে হয়। এটি আপনার লিঙ্গের অনুভূতিকে ভোঁতা করে আপনার বীর্যপাত দেরিতে ঘটাতে সাহায্য করে। পুরুষ সঙ্গীরা যখন এসব ক্রিম ব্যবহার করেন তখন তাদের যোনির সংবেদনশীলতা কমে যায়, এতে পুরুষ সঙ্গীরা যৌনানন্দ লাভ করলেও তারা তেমন যৌন আনন্দ লাভ করেন না।

সাইকোথেরাপিঃ এটা হলো কাউন্সেলিং বা আপনার যৌনসমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের সাথে বিস্তারিত কথা বলা ও পরামর্শ গ্রহণ করা। এ ধরনের কথা বলায় আপনার দুশ্চিন্তা কমবে এবং সমস্যার উন্নতি ঘটবে। অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে শুধু সাইকোথেরাপির মাধ্যমে ভালো ফল পাওয়া গেছে।

প্রতিরোধঃ
দ্রুত বীর্যপাতের কারণে যৌনসঙ্গিনীর সাথে ঠিকমতো যোগাযোগ বন্ধন গড়ে উঠতে নাও পারে। চরম পুলকে পৌঁছতে পুরুষের তুলনায় নারীর দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রয়োজন হয় আর এই পার্থক্য একটা দম্পতির মধ্যে যৌন অসন্তুষ্টি ঘটাতে পারে। অনেক পুরুষ যৌনমিলনের সময় চাপ অনুভব করেন বলে দ্রুত বীর্যপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
নারী ও পুরুষ একে অপরকে বুঝতে পারলে দু’জনের জন্যই যৌন আনন্দ লাভ করা সহজ হয়। এতে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তাও দূর হয়। যদি সঙ্গিনীর কাছ থেকে যৌনসুখ লাভ না করেন তাহলে তার সাথে খোলামেলা আলাপ করুন। আপনাদের মধ্যে সমস্যাটা কোথায় তা খুঁজে বের করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন। এ ক্ষেত্রে সব লজ্জা ও জড়তা ঝেড়ে ফেলে খোলা মনে আলাপ করুন। এ সমস্যা খুবই সাধারণ এবং এর চিকিৎসাও রয়েছে।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাঃ
Caladium Seg (ক্যালেডিয়াম)– বহু দিন যাবত স্বপ্নদোষ হতে হতে লিঙ্গ শিথিল। স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অত্যান্ত প্রবল কিন্তু ক্ষমতাহীন।সহবাসকালে লিঙ্গ শক্ত হয় না, যদিও হয় অল্পতেই বীযপাত হয়ে যায়।

Conium Mac ( কোনিয়াম ) – স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অত্যাধিক কিন্তু অক্ষম। সহবাস কালে সোহাগ আলিঙ্গনের সময়ও লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে।

Lycopodium (লাইকোপোডিয়াম)- হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ অথবা অত্যাধিক স্ত্রী সহবাসের কারনে ধ্বজভঙ্গ, স্ত্রীকে সোহাগ আলিঙ্গন করলেও লিঙ্গ শক্ত হয় না।

Selenium(সিলিনিয়াম) -শুক্র তারুল্য।

Agnus Castus ( এগনাস কাস্ট ) – অবৈধভাবে বা অপব্যবহারের ( Abuse ) মাধ্যমে বীর্যক্ষয় করে যারা ধজভঙ্গ রোগে আক্রান্ত হয়েছে তাদের জন্য।

Anacardium Ori (এনাকার্ডিয়াম) – স্মরন শক্তিহীন ( Loss of memory ) রোগীদের প্রস্রাব কালীন বীর্যপাত হয়ে ধজভঙ্গ রোগ হলে ।

Acid Phos (এসিড ফস) – স্ত্রী সহবাস জনিত মাথা ঘুরা, স্মৃতি শক্তি হ্রাস ( Loss of memory ), লিঙ্গ শিথল ( Relax penis ), অতি শিঘ্রই বীর্যপাত।

Corbonium Sulph(কার্বোনিয়াম সালফ) -অজান্তে অথবা অনিচ্ছা সত্ত্বেও বীর্যপাত এবং স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা হয় না।

Salix Nig (স্যালিক্স নায়গ্রা) – স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা প্রবল কিন্তু ক্ষমতা হীন।

Titanium ( টিটেনিয়াম ) – সঙ্গমে অতি শীঘ্রই বীর্যপাত ও বীর্য পাতলা।

Nuphar Lut ( নুপার লুটিয়া ) – কাম উত্তেজনার কথায় বার্তায় কিংবা উত্তেজনায় অসাড়ে বীর্যপাত।

Turnera(টার্নেরা) – শুক্র বর্ধক ওষুধ।

Avana Sat ( এভেনা স্যাট ) – হস্তমৈথুন (Musterbation ), স্বপ্নদোষ ( Night pollution ) বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস জনিত শারীরিক দুর্বলতার জন্য উপকারী।

Medorrhinum(মেডোরিনাম) -গনরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ধজভঙ্গ পীড়ায় প্রথমে এ ওষুধ পরে লক্ষ অনুযায়ী অন্য ওষুধ সেবন করবে।

Phosphorus(ফসফরাস) -সুন্দর লম্বা ছিপছিপে গড়ন, চালক সামান্য কারনে মন খারাপ। হাঁটতে সামান্য নুয়ে চলে । এই ধাতুর রোগী হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ কিংবা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাসে বা অসাড়ে শুক্রক্ষরন ইত্যাদি কারনে ধ্বজভঙ্গ হয়।

যে ৫টি ভিটামিন সব নারীদের গ্রহণ করা উচিত

আধুনিক নারীদের বাইরের কাজের পাশাপাশি ঘরেও কাজ করতে হয়। ব্যস্ত এই জীবনে এত কাজের ভিড়ে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে ঠিকমত খেয়াল রাখতে পারেন না অনেক নারীরাই। আবার স্বাস্থ্যসচেতন নারীরা স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলতে পছন্দ করেন।  তবে কিছু ভিটামিন অব্যশই ডায়েট চার্টে থাকা উচিত।

এই ভিটামিনগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে নানা শারীরিক সমস্যা সমাধান করে থাকে।

১। ভিটামিন A সব বয়সী নারীদের জন্য ভিটামিন এ প্রয়োজনীয়। এটি হাড়, দাঁত মজবুত করে। এর সাথে টিস্যু , ত্বক এবং পেশী মজবুত করে থাকে।  নিয়মিত গ্রহণে ভিটামিন A দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে। টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, ব্রকলি, পেঁপে, দুধ, কলিজা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন A রয়েছে।

২। ভিটামিন D  ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং মিনারেল সমৃদ্ধ ভিটামিন ডি সামুদ্রিক মাছ, ফ্যাটি ফিশ, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাবারে রয়েছে। এটি পিএমএসের লক্ষণ কমিয়ে দেয়। নিয়মিত সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা হাড়ের সমস্যা অস্টিওপরোসিস রোধ করে।

৩। ভিটামিন B মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয় এমনটি বলেন, Mary Ellen Camire, University of Maine এর পুষ্টিবিদ। B6 লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করে। ভিটামিন বি৯ ফলিক এসিড নামে পরিচিত যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ,  ডিপ্রেশন, ক্যান্সার ও মেমোরি লস প্রতিরোধ করে।  ভিটামিন B6 ডিপ্রেশন, হৃদরোগ এবং স্মৃতি হারানোর সমস্যা কমতে সাহায্য করে। মাছ, মাংস, বিনস, সবজি, ওটমিল ফল ইত্যাদি ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন B12, ভিটামিন B9 ভিটামিন B6, ভিটামিন B7 ইত্যাদি খাবার রাখা প্রয়োজন।

৪। ভিটামিন E  বয়স বৃদ্ধি রোধ, হার্ট সুস্থ রাখা, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ত্বক এবং চুল সুস্থ রাখতে ভিটামিন ই অপরিহার্য। বাদাম, কর্ লিভার অয়েল, পালং শাক, সানফ্লাওয়ার সিডস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন E রয়েছে।

৫। ভিটামিন C রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন C বেশ উপকারী। এটি দেহের অভ্যন্তরীণ টিস্যুর উন্নতি করে, বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। কমলা, আঙ্গুর, জাম্বুরা, স্ট্রবেরি, ব্রকলি ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন C রয়েছে।

শিশুর লিভার সমস্যার লক্ষন ও চিকিৎসা

সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য বাবা মা সর্বদাই উদগ্রীব হয়ে থাকেন। সন্তানের সামান্য অসুস্থতাও মা বাবার কাছে আতংকের বিষয়। আর তাও যদি হয় লিভার সমস্যা, তাহলে তো শুধু মা বাবারই নয় সকলেরই শরীর শিউরে উঠে। কিন্তু মেনে নিতে কষ্টদায়ক হলেও, আজকাল অনেক শিশুই বেশ কিছু কারনে লিভার সমস্যায় ভুগে থাকে। তাই শিশুর লিভারের সমস্যা বোঝার উপায়, কারন ও কিছু চিকিৎসা সম্পর্কে অবগত থাকুন।
লক্ষণঃ
সাধারনত শিশুর হজমে সমস্যা থেকেই লিভারে সমস্যার সুত্রপাত হয়। এছাড়াও আনুসাঙ্গিকভাবে দেখা যায় জন্ডিসজনিত নানা লক্ষণ।
আশংকাজনকভাবে এসময় শিশুর ওজন হ্রাস পায়।
লিভারে সমস্যা হলে, শিশুর শরীরে ফ্লুইড জমে শরীর ফুলে যায়।
খুব ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে, ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস ও বিভিন্ন প্যারাসাইট এর সংক্রমনের মাধ্যমে শরীরে হেপাটাইটিস বি, নন এল, নন বি থেকে লিভারে সমস্যা হতে পারে।
অনেকসময় ম্যালেরিয়া জ্বর থেকেও লিভারে সমস্যা হতে পারে।
আজকালকার শিশুরা প্রচুর ফাস্টফুড খেতে পছন্দ করে। অতিরিক্ত ফাস্টফুড থেকেও লিভারে ফ্যাট জমে, লিভার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসাঃ
লিভারের সমস্যার লক্ষণগুলো পরিলক্ষিত হলে, অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্লাড টেস্ট করে লিভারের অবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
সহজেই হজম হয়, শিশুকে এমন খাবার খাওয়াতে হবে।
অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে।
শিশুকে কম তেল, কম মসলাযুক্ত খাবার খাওয়াতে হবে।
বেশী করে ডাবের পানি, শরবত, গ্লুকোজ দিতে হবে।
ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বন্ধ করতে হবে।
এসবকিছু মেনে চললে আপনার সন্তান লিভার সংক্রান্ত অসুখগুলো থেকে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ফেরত আসবে।

অনিয়মিত পিরিয়ডকে নিয়মিত করার সহজ উপায়

অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণে সন্তান ধারণে সমস্যাসহ হতে পারে আরো নানান রকমের শারীরিক সমস্যা। অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা যেকোনো বয়সের নারীদের মাঝেই দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে যারা অবিবাহিত, তাদের মাঝে বেশি দেখা যায় এই সমস্যা। কিন্তু কী করবেন? জেনে নিন অনিয়মিত পিরিয়ডকে নিয়মিত করার ২টি ঘরোয়া চিকিৎসা। দুটোর মাঝে যেকোনো একটি পালন করুন মাত্র ১ মাস। অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দূর হবে। আর এই চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে আদা, দারুচিনি, দুধের মতো সাধারণ ও সহজলভ্য সব উপাদান।

আদার ব্যবহার : বহু গুণের এই আদা কেবল সর্দি কাশি সারাতেই কাজে লাগে না, পিরিয়ডকে নিয়মিত করতেও এর জুড়ি নেই। যেভাবে ব্যবহার করবেন এই আদা।
১ কাপ পানি নিন। এতে ১ চা চামচ মহি আদা কুচি ৫ থেকে ৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন।
সামান্য চিনি বা মধু যোগ করুন।
এই পানীয়টি পান করুন দিনে ৩ বার, খাবার খাওয়ার পর।
১ মাস নিয়মিত পান করুন, পিরিয়ড নিয়মিত হয়ে যাবে।
দারুচিনিতে হবে নিয়মিত পিরিয়ড : পিরিয়ডকে নিয়মিত করতে দারুচিনি আরেকটি দারুণ কার্যকরী উপাদান। এই দারুচিনি ব্যবহার করে পিরিয়ড জনিত ব্যথা হতেও মুক্তি পেতে পারবেন আপনি। যেভাবে ব্যবহার করবেন।
আধা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো যোগ করুন এক গ্লাস দুধে। সাথে দিতে পারেন মধু। এই মিশ্রণ পান করুন ৪ থেকে ৫ সপ্তাহ। পিরিয়ড নিয়ে সমস্যা কেটে যাবে।
পান করতে পারেন দারুচিনি চা, দৈনিক এক টুকরো দারুচিনি চিবালেও কাজে দেবে। তবে খেয়াল রাখবেন, দারুচিনি যেন হয় খাঁটি।

পুরুষ লিঙ্গের (Penis) আগা মোটা গোঁড়া চিকন ও বক্রতা

আমাদের দেশের অবিবাহিত তরুণ-যুবকরা যে বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা করে সেটা হলো তাদের পেনিস। এ পর্যন্ত যত ফোন কল পেয়েছি তার মধ্যে প্রায় হাজার খানেক হবে যেখানে পেশেন্টরা একটা অভিযোগই আমাদের করেছেন যে তাদের পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এবং এটা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ। তাই আজ ভেবেছি এই বিষয়টা নিয়া লিখব এবং প্রকৃত সত্যটা অবিবাহিত তরুণ সমাজের কাছে তুলে ধরব যেন তার ভবিষ্যতে এটা নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়। পুরুষাঙ্গ নিয়ে আপনার মনে এপর্যন্ত যত প্রকার বদ্ধমূল ধারণা তৈরী হয়েছে সবগুলিকেই মন থেকে মুছে ফেলুন এবং নিচের বিষয় গুলি মনোযোগ দিয়া স্মরণ রাখার চেষ্টা করুন।

পেনিস বা পুরুষাঙ্গ বিষয়ক তথ্যাদি :-
উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪.৭ থেকে  ৬.৩ ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি।
তবে আপনার পেনিস যদি লম্বার সর্বনিম্ন ৪ (চার) ইঞ্চিও হয়ে থাকে তাহলেও আপনার স্ত্রীকে তৃপ্তি দিতে আপনার কোনো সমস্যা হবে না। অনেক বিশেষজ্ঞরা আবার এও বলে থাকেন স্ত্রীকে অরগাজম দিতে মাত্র ৩ ইঞ্চি লম্বা পেনিস হলেই যথেষ্ট।
বড় পেনিস মানেই বেশি আনন্দ, কথাটা ঠিক নয় । আপনার ডিউরেশন কত সেটাই হলো মূল বিষয়। স্বাভাবিক টাইম ৭-১০ মিনিট।
পেনিস কখনই একেবারে সোজা হয়না । একটু বাকা থাকেই ।
পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এটা কোন সমস্যা নয় । স্কুল জীবন থেকেই রাস্তাঘাটের তথাকথিত হার্বাল, কবিরাজ এবং ভেষজ ডাক্তারদের বিভ্রান্তিকর লেকচার শুনতে শুনতে অনেকের মধ্যেই এ বিষয়ে একটা বদ্ধমূল ভূল ধারণা তৈরি হয়ে আছে ।
কোন যাদুকরী তেল বা মালিশ পেনিস তেমন বড় করতে সক্ষম নয় । এগুলা ভুয়া । তবে পেনিসের স্নায়ুতন্ত্র সতেজ রাখার বা করার জন্য মালিশ বা ম্যাসেজ ব্যবহার করতে পারেন আমরা যেমন শরীরের ত্বক সতেজ রাখার জন্য সরিষার তেল বা অনান্য প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি।
বেশি বড় পেনিস হলে মেয়েরা আনন্দ পাওয়ার বদলে ব্যাথা পায় । এমনকি সেটা যৌন আতঙ্কেও রুপ নিতে পারে অনেক নারীদের জন্য।
ক্ষুদ্র পেনিস বলতে ২.৭৬ ইঞ্চির চেয়ে ছোট পেনিস বুঝায় । সেক্ষেত্রে যথাযথ চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।
গোঁড়া চিকন আগা মোটা বা বাঁকা পেনিস যৌনমিলনে কোন সমস্যার সৃষ্টি করেনা । এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।
পেনিসটাকে নিয়ন্ত্রণ করুন। স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে সহবাস করবেন না।
স্ত্রী ছাড়াই পেনিস শক্ত এবং দৃঢ হয়ে যায় এমন কোনো কাজ যেমন: বেগানা নারীর দিকে তাকানো, অশ্লীল সাহিত্য পড়া, কম্পিউটার বা মোবাইলে খারাপ কিছু দেখা থেকে বিরত থাকুন।
৪০ দিনের মধ্য পুরুষাঙ্গের গোড়ার চুল কাটুন।
আপনার যৌন স্বাস্থের  দিকে নজর দিন। এটাও আপনার শরীরেরই অংশ। নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন। কারণ পুরুষরা দৈনন্দিন খাবার দাবার থেকেই তাদের যৌন শক্তি লাভ করে থাকে।
যৌন সমস্যার ব্যাপারে ভুল করেও কখনো অবহেলা করবেন না। যে কোনো যৌন সমস্যায় কোনো প্রকার সংকোচ না করে তাত্ক্ষণিক ভাবে অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ অল্প দিনের হোমিও চিকিত্সাতেই আপনার সকল প্রকার যৌন সমস্যা মূল থেকে নির্মূল হয়ে যাবে। তার জন্য ক্ষতিকর ও উত্তেজক হার্বালের মত বার বার আপনাকে ঔষধ খেয়ে যেতে হবে না।
আশা করি কিছুটা হলেও আপনারা বুঝতে পেরেছেন। পেনিস নিয়ে অযথা চিন্তা করে করে সময় নষ্ট করার কোন প্রয়োজন নেই। জগতে চিন্তা করার আরো অনেক বিষয় রয়েছে। ফুটপাতের ভুয়া হার্বাল বা ভেষজ নামধারী ডাক্তারদের কথার বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার কাজে মনোনিবেশ করুন। আপনার কেরিয়ার নিয়ে ভাবুন। আর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন সমস্যায়  আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে পরামর্শ করুন। সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন এবং সুখী আনন্দময় যৌন জীবন উপভোগ করুন। ধন্যবাদ। 

www.CodeNirvana.in

কিছু কথা:

আমাদের Nobokori Health Forum টি জনগনকে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য তৈরি। আমাদের প্রতিটি পোস্ট জনস্বাস্থ্য ও সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ পদ্ধতির উপর তৈরি।

আশাকরি আমাদের Nobokori Health Forum আপনাদের সেবায় সবসময় নিয়জিত থাকবে।

Copyright © Nobokori Health